রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীর নশিপুর ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন গাবতলীতে ১২বছর যাবৎ ঈদগা মাঠে’র হিসাব না দেয়ায় প্রতিবাদ সভা নিজের স্ত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায পরকীয়া প্রেমিকের স্ত্রীকে খুন বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে স্মার্টফোন কিনে না দেয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে ক্রীড়াচর্চার বিকল্প নেই — রাজিবুল করিম রাফি কাহালুতে বিষ প্রয়োগ প্রায় ২৪ লাখ টাকার মাছ নিধন থানায় লিখিত অভিযোগ গাবতলীতে আজম খানের রুহের ও করোনায় আক্রান্ত রবিন খানের পরিবারের সুস্থ্যতা কামনা করে দোয়া মাহফিল মানুষ খুন করে কখনো বেহেশত পাওয়া না ঃ এ্যাড.লীটন আদমদীঘিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যানের শাশুরী গুরুত্বর অসুস্থ ঢাকায় ভর্তি

আদালতে আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা

আদালতে আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক কবির আহম্মেদ।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরপর তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
এদিন তার জেরা শেষ না হওয়ায় বুধবার (২০ জানুয়ারি) পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত। এনিয়ে মামলার মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।
ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।
অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।
গ্রেফতার ২২ জন হলেন— মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।
মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষেরজন এজাহারবহির্ভূত আসামি।
২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় কারাগারে থাকা ২২ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

শেয়ারকরুন: