শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে হবে : মজিবর রহমান মজনু গাবতলীতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা গাবতলীতে পৌর বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠিত এলাকার উন্নয়ন ও কল্যানমুলক কাজ করতে চশমা মার্কায় ভোট দিন- মাওঃ সাইফুল সোনাতলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে কেক কর্তন গাবতলীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও কম্বল বিতরণ সোনাতলা পৌরসভার মেয়র ৩ মাসেও চেয়ারে বসতে পারেনি গাবতলীর সোনারায়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট চেয়ে প্রার্থী আজাদুলের গণসংযোগ গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নে আইয়ুব মাস্টারের গণসংযোগ

গাবতলীতে মুক্তিপন না পেয়ে খুন হলো অপহৃত শিশু হানজালাল

গাবতলীতে মুক্তিপন না পেয়ে খুন হলো অপহৃত শিশু হানজালাল

সাব্বির হাসান,গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার গাবতলীতে মুক্তিপণ না পেয়ে অবশেষে ৩৮দিন পর অপহৃত ৬বছরের এক শিশুকে হত্যা করলো অপহরনকারীরা। এরপর অপহরণকারীরা নিজেরাই ফোন করে মরদেহের সন্ধান দিলো পরিবারকে। অপহরণকারীদের ফোনের সূত্র ধরেই ২১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে শিশুকে উদ্ধারে পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবী করেছেন এলাকার সচেতন মহল। অপহৃত শিশু হানজালাল (৬) গাবতলীর রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু প্রামানিকের ছেলে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা পিন্টু প্রামানিক বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, গত ১৩ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে শিশু হানজেলাল অপহৃত হয়। ঘটনার রাতেই এ বিষয়ে নিয়ে গাবতলী থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর বাবা পিন্টু প্রামানিক মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেন। এরপর স্থানীয় করতোয়া পত্রিকাতেও ছেলের সন্ধান চেয়ে নিখোঁজ বিজ্ঞাপন দেন ওই শিশুর মা তাছলিমা বেগম। শিশুটির বাবা জানান, অপহরনাকারীরা তাছলিমা বেগমের মোবাইলে ফোন করে প্রথমে ৫ লাখ ও পরে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসছিল। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানার এস আই হাই এর কাছে ধর্না দিতে থাকেন। কিন্তু গত ১ মাস ৮দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি বলে তাদের অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নম্বর থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল সেই একই নম্বর থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারীরা। পরে পুকুর থেকে বস্তাবন্দি পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির বাবা পিন্টু প্রামানিক ও মা তাসলিমা বেগম দাবি করেন, পুলিশের অবহেলা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাবে তার শিশুর প্রাণ নিয়েছে অপহরনকারীরা। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) সাবিনা ইয়াসমীন, মডেল থানার ওসি মোঃ নুরুজ্জামান, তদন্ত ওসি আনোয়ার হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স। এদিকে ২২ জানুুয়ারী শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া। এ ব্যাপারে মডেল থানার ওসি মোঃ নুরুজ্জামান স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অতি দ্রুত অপহরণকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। থানার ওসি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, হানজালাল এর মা’য়ের বাদীত্বে করা সাধারণ ডায়েরীর তদন্তের ভার দেয়া হয়েছিলো এস.আই আব্দুল হাইকে। এ ব্যাপারে থানার এস আই হাই বলেন, শিশুটির মা একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেছিলেন। আমি অনেক চেষ্টা করেছি শিশুটিকে খুঁজে বের করতে। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মুক্তিপন চাওয়ার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি।

শেয়ারকরুন: