শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাগফিরাত ও জীবিতদের কল্যাণ কামনায় দোয়া মাহফিল গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’র কমিটি অনুমোদন বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের দশটিকায় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সোনাতলা-গাবতলী সড়কে  ট্রাকের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হয়েছে মাননীয় স্পিকার শহীদ জিয়ার লাশ কবরে আছে কি নেই এতদিন পরে তা কেন সংসদে আলোচনা হচ্ছে –এম পি মোশারফ হোসেন প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে গাবতলীতে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গাবতলীতে দর্জি শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ সোনাতলায় খামারীদের প্রশিক্ষণে বিভাগীয় পরিচালকের পরিদর্শন কাহালুতে “প্রতিবন্ধী নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণে” উপজেলা সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা গাবতলীতে নিখোঁজ হওয়ার ৩দিন পর এক মহিলার লাশ উদ্ধার

গাবতলীতে সিরাজুল হত্যা মামলায় আকবর গ্রেফতার \ রিমান্ডের আবেদন

গাবতলীতে সিরাজুল হত্যা মামলায় আকবর গ্রেফতার \ রিমান্ডের আবেদন

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় আকবর আলী পোদ্দার (৪৮) কে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গ্রেফতার করেছে।

বগুড়া পিবিআই এর পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন এর দিক নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই অফিসের এসআই আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ২০ মে বুধবার তাকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আকবর আলী জেলার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বামুনিয়া পোদ্দারপাড়া গ্রামের মৃত মোবারক আলীর ছেলে। তাকে ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে তাকে ৫দিনের রিমান্ডে নেয়ার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই অফিসের এসআই আরিফুর রহমান আদালতে আবেদন করেছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরিফুর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, সিরাজুল হত্যা মামলার মোট ১১ আসামীর মধ্যে ১০জন আসামীই গ্রেফতার হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বাকী একজন আসামীকেও গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। উল্লেখ্য, বামুনিয়া পোদ্দার পাড়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

উভয় পক্ষের আদালতে মামলাও রয়েছে। জমির এই বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০১৯সালের ১৯জুন সকালে সিরাজুলের সঙ্গে ঝগড়াও হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সিরাজুলকে মারার জন্য ধাওয়া করে চাচাতো ভাইরা। এ সময় সিরাজুল অটো ভ্যান নিয়ে কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। ওইদিন রাত প্রায় ৮টায় সিরাজুল বামুনিয়া থেকে কাগইলের দিকে যায়। তারপর থেকে সিরাজুল আর বাড়ী ফেরেনি। পরের দিন সকালে গ্রাম্য পুলিশসহ স্থানীয়রা তেলকুপি তিনমাথা মোড়ের পুর্ব পার্শ্বের একটি কলাক্ষেতে সিরাজুলের গলা কাটা লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে দেন এবং ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষনিক ৩জনকে গ্রেফতার করেন। এ দিকে হত্যা মামলার আসামীরা ঘটনার রাতেই গরু ছাগলসহ অন্যান্য মালামাল সড়িয়ে ফেলে এবং ১১জন আসামীসহ গ্রেফতারকৃত আকবার আলী ও তার পরিবারের লোকজন আত্মগোপনে গেলে প্রায় এক বছর পর বাড়িতে আসে বলে বাদী পক্ষ জানায়।

এ ঘটনায় নিহতের মা রুলি বেওয়া ওরফে সুন্দরী বাদীনি হয়ে ২০জুন/১৯ইং ১১জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তকারী অফিসার ছিলেন থানার এসআই সুজাউদৌলা সুজা। পরে মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে দেয়া হলে ডিবি অফিসের পরিদর্শক জাহিদুল হক তদন্ত করেন এবং ৫জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করছেন বগুড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর এসআই আরিফুর রহমান।

শেয়ারকরুন: