শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে হবে : মজিবর রহমান মজনু গাবতলীতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা গাবতলীতে পৌর বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠিত এলাকার উন্নয়ন ও কল্যানমুলক কাজ করতে চশমা মার্কায় ভোট দিন- মাওঃ সাইফুল সোনাতলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে কেক কর্তন গাবতলীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও কম্বল বিতরণ সোনাতলা পৌরসভার মেয়র ৩ মাসেও চেয়ারে বসতে পারেনি গাবতলীর সোনারায়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট চেয়ে প্রার্থী আজাদুলের গণসংযোগ গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নে আইয়ুব মাস্টারের গণসংযোগ

বংশানুক্রমে অন্ধত্বের অভিশাপ সোনাতলায় একই পরিবারে ১৮জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি!

বংশানুক্রমে অন্ধত্বের অভিশাপ সোনাতলায় একই পরিবারে ১৮জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি!

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় বংশানুক্রমে অন্ধত্বের অভিশাপ নিয়ে মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে ওরা ১৮ জন। অজ্ঞাত কারণে চারটি প্রজন্ম ধরে ওই পরিবারে অন্ধ হয়ে জন্ম নেওয়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধি ১৮জনের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ৮ জন মহিলা। ওদের মধ্যে কেউ ট্রেনে আবার কেউ কেউ গ্রাম-গঞ্জে ভিক্ষা বৃত্তি করে সংসার নামের ঘানি কোন রকমে টেনে চলছে।
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ছোট বালুয়া গ্রামে বংশানুক্রমে অন্ধত্বের অভিশাপ নিয়ে মায়ের গর্ভ থেকে একই পরিবারের ১৫জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধির জন্ম হয়েছে। এরা হলো নুরুল ইসলাম মন্ডল, আসাদুজ্জামান মন্ডল, ইদ্রিস মন্ডল, ইউনুছ মন্ডল, মুংলু মন্ডল, এজেদা, মোশারফ মন্ডল, মিঠুন মন্ডল, সাহেব আলী মন্ডল, মোরশেদা, আমেনা, ছাবিনা, মিতু, শারমিন, শহিদ এরা সবাই অন্ধ। বংশানুক্রমে অজ্ঞাত কারণে চারটি প্রজন্ম ধরে এভাবেই চলে আসছে ওই পরিবারে অন্ধ হয়ে জন্ম নেওয়া সন্তানদের সংখ্যা।
দৃষ্টিহীন ইদ্রিস মন্ডল জানান, তাদের জন্মগত অন্ধত্বের কারণে ঢাকায় তারা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ডাক্তার তাদের বলেছেন, মায়ের গর্ভে বাবার ভ্রন যে বেশী পাবে সেই অন্ধ হবে। তবে ভিটামিনের ঘাটতির কারণে এ অবস্থা হয়েছে বলেও ডাক্তার তাদের জানিয়েছেন।
অন্ধ পরিবারের সদস্যরা জানান, তাদের উপার্জনের একমাত্র পথ মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করা। তারা ইচ্ছা করে মানুষের দারস্থ হতে চাননি। স্বাভাবিকভাবে জন্ম নিলে অন্য মানুষের মত তারাও পরিশ্রম করে উপার্জন করতেন। তারা সরকারীভাবে অন্ধত্বের চিকিৎসা পেতে চান। এতে সুস্থ না হলেও পরবর্তী প্রজন্ম যেন অন্ধত্বের অভিশাপ নিয়ে জন্ম গ্রহণ না করে।
তারা জানিয়েছেন, তাদের অন্ধত্বের কারনে জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি ভিক্ষাবৃত্তি করে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চলে তাদের।
অন্ধদের সম্পর্কে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ হিয়া কামাল জানান, এ রোগটি জেনেটিক কারনে হতে পারে। তবে পরীক্ষা করে দেখলে রোগটা সম্পর্কে জানা যাবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বালুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক রুহুল আমিন জানান, যাদের প্রতিবন্ধি কার্ড রয়েছে তাদেরকে প্রতিবিন্ধ ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও ওই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় সরকারী সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন জানান, তিনি নতুন এসেছেন তাই এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

শেয়ারকরুন: