রবিবার, ২০ Jun ২০২১, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
মহিলা ক্রিকেটদলের অধিনায়ককে গাবতলীতে ফুলেল শুভেচ্ছা আদমদীঘিতে বিলুপ্তীর পথে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প কাহালুতে ২য় গর্যায় ৩০ট গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডে পদ পেলেন পত্নীতলার রুবাইত হাসান সান্তাহারে ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কাহালু পৌর মেয়রকে সচিবালয়ে প্রবেশের কার্ড করে নিয়ে দিলেন এম পি মোশারফ হোসেন কাহালুতে চোর সন্দেহে যুবককে বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন কাহালুতে ৫ জুয়াড়ী আটক ডাঃ জোবাইদা’র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ গাবতলীর বাগবাড়ীতে মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্ধোধন করলেন ডাঃ পাভেল

বগুড়ায় ক্লুলেস ধর্ষণ ৪ ঘন্টার মধ্য ধর্ষক গ্রেফতার

বগুড়ায় ক্লুলেস ধর্ষণ ৪ ঘন্টার মধ্য ধর্ষক গ্রেফতার

শাফায়াত সজল, বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ খুন ক্লুলেস হয়, ডাকাতি চুরিও হয়,তাই বলে ক্লু লেস ধর্ষণ!! ১ অক্টোবর রাতে বগুড়ার একজন কৃতি পেশাদার সাংবাদিক কয়েকজন লোক পাঠালেন সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর কাছে। অষ্টম শ্রেণির একটা মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিলেন।
রাত সাড়ে দশটার দিকে মেয়েটা,তার মা,বাবা এবং মামা।  মেয়ের সাথে কথা বললে, সে জানাল গত ২৪ তারিখ থেকে একটা অপরিচিত নম্বরে কথা হচ্ছিল। তিন দিনের মাথায় ছেলেটা মেয়েটার সাথে দেখা করতে চায়। ছেলেটা নাম বলেছে সাগর। ২৭ তারিখ সন্ধ্যার পর থেকে কথিত সাগর বারবার ফোন দিতে থাকে মেয়েটিকে। টিনএজ মেয়েটি একপর্যায়ে বাসা থেকে বের হতে রাজি হয়। মেয়েটাকে ভোলানোর জন্য ছেলেটা অনেক কথাই বলে।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রেমিকের সাথে দেখা করার উদ্দেশ্য নিয়ে মেয়েটা বের হয়ে যায়। লম্পট প্রেমিক পেশায় সিএনজি চালক। সে মেয়েটিকে  তার নিজের সিএনজিতে উঠিয়ে নেয়। কিছুদূর নিয়ে একটা জংগলের ভিতরে  মেয়েটাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর মেয়েটাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেয়। মেয়েটা বাড়িতে এসে সব কথা মা-বাবাকে জানায়। মেয়েটার বাবা মিস্ত্রির কাজ করেন,মেয়ের দুর্ঘটনার কথা শুনে মুষড়ে পড়েন।
খোঁজ করতে থাকেন সেই ছেলেটার,কিন্তু এক মোবাইল নম্বর ছাড়া কিছুই নাই। বাড়ি বলেছিল কাহালুর পাইকড়, সে এলাকায় গিয়ে মেয়ের বাবা  সাগর নামে কাউকে পায়না। মেয়ের মামার সাথে সাংবাদিক সালাম বাবু ভাই এর পরিচয় ছিল। বাবু ভাই বিস্তারিত জেনে আমার কাছে পাঠালেন। ঘটনা জানার সাথে সাথে আমরা কাজ শুরু করলেন টিম সদর থানা। একমাত্র মোবাইল নম্বর ভরসা।
বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন এনে দেখা গেল বগুড়া শহরের একজন সত্তর বছর বয়সী মুরুব্বির নামে মোবাইলটা। তাকে খুঁজে পাওয়াও সম্ভব হলো না। সদর থানার দুজন করিৎকর্মা অফিসার আবু রায়হান এবং নুর আমিন সহ একদল পুলিশ নেমে পড়লো অভিযানে। তারা মেয়েটার পরিস্থিতি দেখে পাগলের মতো ছুটে গেল। রাত ১ টা ৪৯ মিনিটে এসআই আবু রায়হান আমাকে ফোন করে জানালেন ধর্ষক আটক এবং সে ধর্ষণের কথা স্বীকার  করেছে। মেয়েটা ধর্ষককে শনাক্ত করছে।
ঘটনাটিতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষকের নামঃ আমিনুর (২৭)।  তার পিতার নামঃ আলতাব হোসেন, গ্রামঃ কাহলা
থানা ও জেলাঃ বগুড়া।

শেয়ারকরুন: