সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
কাহালুর জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত রইছউল আলম মন্ডল রাকাব’র চেয়ারম্যান হিসেবে পুন:নিয়োগ গাবতলীর কদমতলীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী গামা’র নির্বাচনী অফিস উদ্ধোধন গাবতলীতে বিদ্যুৎ খুটি থেকে সেচ পাম্পের তিনটি ট্রান্সফর্মার চুরি দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় গাবতলীতে আ’লীগের ছয় নেতাকে বহিস্কার গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত গাবতলীতে আগুনে পোড়া বাড়ী পরিদর্শন ও কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও রওনক জাহান গাবতলীতে ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সোনাতলায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে আপন দুই সহোদর টিএমএসএস মমইন বিনোদন জগতে আইসক্রিম পার্লারের উদ্বোধন

মহাস্থান মাংস বাজারে দাম ও ওজনে আপত্তি না থাকলেও পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ

মহাস্থান মাংস বাজারে দাম ও ওজনে আপত্তি না থাকলেও পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ

শাফায়াত সজল,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ মহাস্থান মাংস বাজার। শিবগঞ্জ উপজেলা তো বটেই, জেলার মধ্যে একটি অন্যতম বৃহৎ মাংস বাজার। এছাড়াও এটি সবজির পাইকারী বাজার হিসাবে বিখ্যাত।

জানা যায়, এখানে মাঝারী ও বড় মিলে প্রতিদিন (শুক্রবার ছাড়া) প্রায় ৭/৮ টি গরু এবং ২/৩ টি খাসি জবাই করা হয়। যার আনুমানিক ওজন ২৫- ২৬ মণ। ইহা ছাড়াও শুধুমাত্র শুক্রবারেই এখানে প্রায় ১৬ থেকে ২০ টা পর্যন্ত গরু জবাই করা হয়। স্থানীয় ক্রেতা ছাড়াও আশে পাশের বিভিন্ন এলাকা হতে পাইকারী ও খুঁচরা ক্রেতা এখানে এসে মাংস ক্রয় করেন বলে মাংস ব্যবসায়ীরা জানান।

বর্তমানে এই মাংস বাজারে ইজারাদের নিকট থেকে বরাদ্দ প্রাপ্ত ৫ জন গো মাংস এবং ১ জন খাসির মাংস ব্যবসায়ী। বরাদ্দপ্রাপ্ত মাংস দোকান ব্যবসায়ীরা হলেন ফাইনুর ইসলাম, আব্দুল খালেক, আব্দুর রাজ্জাক, রেজাউল ইসলাম, রঞ্জু মিয়া ও মুকুল মিয়া। যারা দীর্ঘদিন যাবৎ এ বাজারে মাংস বিক্রি করে আসছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় বর্তমিনে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫২০/- থেকে ৫৪০/- এবং খাসির মাংস ৭২০/- থেকে ৭৫০/- টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বর্তমানে গরু ও ছাগলের দাম একটু বেশি হওয়ায় মাংসের দামও কিছুটা বেশি বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তবে ইজারার মূল্য বেশি হওয়ার কারনে ইচ্ছা থাকলেও দামে কম রাখা যায় না বলে মাংস ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

তবে দেশীয় বাজারের সাথে সামঞ্জস্য থাকায় মাংসের দাম ও ওজনে এখানকার অধিকাংশ ক্রেতা সাধারনের তেমন কোন অভিযোগ নেই। বাজারে আগত মাংস ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, আগে স্বপ্লমূল্যে মাংস পাওয়া যেত, তখন নিয়মিত মাংস কিনতেন। কিন্তু এখন দাম অনেক চড়া থাকায় অনেক দিন পর পর মাংস কিনেন বলে জানান।

নিয়মিত মাংস ক্রেতা সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, শোনা যায় মাংস বাজার থেকে হাটের ইজারাদার অনেক টাকা আয় করেন। কিন্ত এ পট্টির তেমন কোন উন্নয়ন হয় না। বরং সবসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাই থেকে শুরু করে মাংস ক্রয় বিক্রয় করা হয়, যা মানুষ ও প্রাণীকূলের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে তিনি জানান। বর্তমানে স্থায়ী শেড না থাকায় মাংস ব্যবসায়ীগণ একপ্রকার অস্থায়ী দোকানে মাংস বিক্রি করছেন। দেখা যায় বর্তমানে যেখানে মাংস বাজার চলছে সেখানে বর্জ ব্যবস্থাপনা ঠিক না থাকায় সবসময় দূর্গন্ধ লেগেই থাকে।

শেয়ারকরুন: