বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:০১ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
শাজাহানপুরের খোট্রাপাড়া’য় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীতে পত্রিকা বিক্রেতাকে হত্যার হুমকি; থানায় অভিযোগ গাবতলীতে স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং থানায় ৩ জনের নামে অভিযোগ গাবতলীতে এক অন্ধ’র বাড়ি পুড়েছে খোলা আকাশের নিচে তাদের বসবাস সরকার আসে, সরকার যায় তাদের নেতাকর্মী প্রতিশ্রুতি দেয়- সোনাতলায় ৩শ’ ফুট কাঁচা রাস্তা কাঁচাই রয়ে গেল জনপ্রতিনিধিকে খুশি করতে না পারায়-৭৯ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা ভাগ্য জোটেনি সুমতি রানীর কাহালুতে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেল চালক নিহত কাহালুতে করোনার টিকাদান কর্মসূচী সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত লাখো মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ- গাবতলী-চৌকিরঘাট সড়কে অসংখ্যস্থানে গর্তের সৃষ্টি গাবতলীর কাগইলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মির্জা কাদেরের নাম কেটে দিলে মামলা নেবে পুলিশ

মির্জা কাদেরের নাম কেটে দিলে মামলা নেবে পুলিশ

অনলাইন ডেস্কঃ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মির্জা কাদের ও বাদল গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া আলাউদ্দিনের পরিবারের মামলা নিচ্ছেনা বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।
১২ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চরকালী গ্রামে নিহতের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তার পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা মরিয়মের নেছা ও ছোট ভাই এমদাদ হোসেন এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জাকে দায়ী করে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেন। একই সাথে ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও নিহতের পরিবারের হত্যা মামলা পুলিশ রুজু না করায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
নিহতের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে মামলার এজহার নিয়ে থানায় যাই। মামলার স্লিপটি ওসি সাহেবকে দিলে মামালার প্রথম আসামি তারা মির্জার নাম দেখেন। এরপর ওসি মির্জার নামটি কেটে দিলে তারা মামলা নিবে বলে জানান।’
এরআগে বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মামলা রেকর্ড হয়নি। এজাহারে সমস্যা আছে। ওনাকে বলা হয়েছে। পরে উনি ঠিক করে আনবেন বলেছেন।’
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (৯ মার্চ) থেমে থেমে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষমতাসীন দলের দুই গ্রুপের অনুসারিরা বসুরহাট বাজারের বিভিন্নস্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, গোলাগুলি ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে চার পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মো. আলাউদ্দিন মারা যান।

শেয়ারকরুন: