শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে মোটর সাইেকেলের ধাক্কায় কলা ব্যবসায়ী নিহত লুকু সভাপতি, তাসকিন সম্পাদক নির্বাচিত গাবতলী পৌর ছাত্রদলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতএম এ মতিন,কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন প্রধান অতিথি ইঞ্জিঃ ইশরাক হোসেন গাবতলী থানা ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনাতলায় জোরপুর্বক জমিদখলের চেষ্টা অতঃপর বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাটসহ মারধরে আহত-৩ দেহের একটু রক্ত দিলে যদি বাঁচে একটি প্রাণ ধন্য তোমার পিতা মাতা মহৎ তোমার দান সোনাতলায় ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনাতলায় পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিযোগিতার মাঠে চলছে প্রার্থীদের গনসংযোগ বগুড়া প্রেসক্লাবের সদস্য. দৈনিক চাঁদনী বাজার পত্রিকার সাবেক সম্পাদক মাকছুদুরের ইন্তেকাল

রাজধানীতে ট্রিপল মার্ডারঃ ৩ দিনের রিমান্ডে শফিকুল

রাজধানীতে ট্রিপল মার্ডারঃ ৩ দিনের রিমান্ডে শফিকুল

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

২১ জুন সোমবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার ২০ জুন রবিবার মেহজাবিন ইসলাম মুনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৯ জুন শনিবার সকালে কদমতলীর মুরাদপুরে পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার (৪৫) এবং তাদের ছোট মেয়ে জান্নাতুল (২০)। সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় সেদিনই আটক করা হয় মেহজাবিনকে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি নিজেই ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বলেন, মা-বাবা ও ছোট বোনকে হত্যা করেছি। আপনারা আসেন। এসে আমাকে ধরে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

শেয়ারকরুন: