শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
বিএনপির দুস্থ নেতাকর্মী, এতিমখানা ও নব মুসলিমকে মাংস প্রদান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা করে গাবতলীর উজগ্রামে দোয়া মাহফিল ১১০টি পরিবারের মুখে হাসি ফুটালেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মওদুদ আহম্মেদ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সাবেক মহাসচিব সাজ্জাদুল কবির মারা গেছেন নেতৃবৃন্দ’র শোক গাবতলীর মহিষাবান ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র জেলা সদস্য বাবু’র পিতার মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দ’র শোক সোনাতলায় দিনদিন বেরেই চলেছে চোরের উপদ্রব-কৌশলে আবারো ইজিবাইক চুড়ি নন্দীগ্রামে নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন এম পি মোশারফ হোসেন কালাই ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণ করলেন ইউ পি চেয়ারম্যান হান্নান বগুড়ায় পুকুরে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

রাজধানীতে ট্রিপল মার্ডারঃ ৩ দিনের রিমান্ডে শফিকুল

রাজধানীতে ট্রিপল মার্ডারঃ ৩ দিনের রিমান্ডে শফিকুল

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

২১ জুন সোমবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার ২০ জুন রবিবার মেহজাবিন ইসলাম মুনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৯ জুন শনিবার সকালে কদমতলীর মুরাদপুরে পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার (৪৫) এবং তাদের ছোট মেয়ে জান্নাতুল (২০)। সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় সেদিনই আটক করা হয় মেহজাবিনকে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি নিজেই ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বলেন, মা-বাবা ও ছোট বোনকে হত্যা করেছি। আপনারা আসেন। এসে আমাকে ধরে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

শেয়ারকরুন: