শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১১ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে শিক্ষক সুজাকে লাঞ্ছিত করায় সুজনের নিন্দা গাবতলীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাগফিরাত ও জীবিতদের কল্যাণ কামনায় দোয়া মাহফিল গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’র কমিটি অনুমোদন বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের দশটিকায় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সোনাতলা-গাবতলী সড়কে  ট্রাকের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হয়েছে মাননীয় স্পিকার শহীদ জিয়ার লাশ কবরে আছে কি নেই এতদিন পরে তা কেন সংসদে আলোচনা হচ্ছে –এম পি মোশারফ হোসেন প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে গাবতলীতে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গাবতলীতে দর্জি শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ সোনাতলায় খামারীদের প্রশিক্ষণে বিভাগীয় পরিচালকের পরিদর্শন কাহালুতে “প্রতিবন্ধী নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণে” উপজেলা সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা

শেরপুরে সরকারি মূল্যের চেয়ে ধান-চালের বাজার মূল্য বেশি

শেরপুরে সরকারি মূল্যের চেয়ে ধান-চালের বাজার মূল্য বেশি

আবু রায়হান রানা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় ধান-চাল কেনায় সাড়া মিলছে না। মিলাররাও গুদামে চাল সরবরাহে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। গত বোরো মৌসুমের ন্যায় আমন মৌসুমেও গুদামে চাল সরবরাহ করে লোকসানের আশঙ্কা করছেন মিলাররা। এ কারণে খাদ্য বিভাগ সময় বৃদ্ধি করলেও চাল কল মালিকেরা গুদামে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন না। ফলে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন খাদ্য বিভাগ। ২ ডিসেম্বর বুধবার পর্যন্ত মাত্র ২ জন মিল মালিক খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
এদিকে চলতি আমন মৌসুমে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ১৭৮ জন লাইসেন্সধারী চালকল মালিককে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে খাদ্য বিভাগ। গত বোরো মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেও গুদামে চাল না দেওয়ায় ৮৯ এবং চুক্তি না করায় ৮৯ জন মিল মালিক কে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।শেরপুর উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এ উপজেলায় ৪৫৩ টি লাইসেন্স ধারি চালকল রয়েছে। এর মধ্যে আমন চাল সরবরাহের জন্য ২৮০ জন চালকল মালিকের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট চালকল মালিকের নামে চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২টি সরকারি খাদ্য গুদামে চালকল মালিকদের কাছ থেকে ১১ হাজার ৮৮৭ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ১ হাজার ৪৫২ মেট্রিক টন আমন ধান কেনা হবে। কৃষকদের মধ্য থেকে লটারি করে এবার ধান সংগ্রহ করা হবে। একজন কৃষক গুদামে সর্বোচ্চ ৬ মেট্রিক টন ধান দিতে পারবেন। এবার ১ কেজি ধানের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা।
শেরপুর উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হানিফ উদ্দিন জানান, সরকার এক কেজি সিদ্ধ চাল সরবরাহের জন্য চালকল মালিকদের ৩৭ টাকা এবং এক কেজি আতব চাল সরবরাহের জন্য ৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছেন। যা বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে অসংগতিপূর্ণ। তিনি জানান সরকার ধান ও চালের যে দাম নির্ধারণ করেছেন তাও অসংগতিপূর্ণ। সরকারি ভাবে প্রতিকেজি ধান ২৬ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিকেজি সিদ্ধ চালের মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৪১/৪২ টাকায়।
শেরপুর উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আবদুল কুদ্দুস জানান, সারাদেশের চালকল মালিকদের কেন্দ্রীয় সংগঠনের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে শেরপুরে কোন মালিক সরকারের সাথে চুক্তি বদ্ধ হচ্ছেনা। তিনি জানান,সরকার ধানের দামের সাথে চালের দাম সমন্বয় করে চালের দাম বৃদ্ধি করলেই কেবল চালকল মালিকরা সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হবে।
শেরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেকেন্দার রবিউল ইসলাম জানান, সরকার সময় বৃদ্ধি করায় আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবেন চালকলের মালিকেরা। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গুদামে ধান ও চাল সরবরাহ করা যাবে। তিনি জানান,এ পর্যন্ত শেরপুর উপজেলায় ২৮০ জন লাইসেন্সধারী মিলারের মধ্যে মাত্র ২ জন মিলার তাদের সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়েছেন।

শেয়ারকরুন: