রবিবার, ২০ Jun ২০২১, ০১:০৯ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
মহিলা ক্রিকেটদলের অধিনায়ককে গাবতলীতে ফুলেল শুভেচ্ছা আদমদীঘিতে বিলুপ্তীর পথে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প কাহালুতে ২য় গর্যায় ৩০ট গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডে পদ পেলেন পত্নীতলার রুবাইত হাসান সান্তাহারে ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কাহালু পৌর মেয়রকে সচিবালয়ে প্রবেশের কার্ড করে নিয়ে দিলেন এম পি মোশারফ হোসেন কাহালুতে চোর সন্দেহে যুবককে বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন কাহালুতে ৫ জুয়াড়ী আটক ডাঃ জোবাইদা’র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ গাবতলীর বাগবাড়ীতে মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্ধোধন করলেন ডাঃ পাভেল

শেরপুুরে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

শেরপুুরে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আবু রায়হান রানা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সরিষা ফুলে ভরে গেছে ফসলের মাঠ। যেদিকে চোখ যায় শুধু দেখা যাবে সবুজের ফাঁকে হলুদের সমাহার। পথিকের নজর কাড়তে ফুলের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে মৌমাছির দল। কখনো কখনো সরিষা ক্ষেতে বসছে পোকাখাদক বুলবুলি ও শালিকের ঝাঁক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মাঠে মাঠে চাষ করা হয়েছে সব রকমারি ফসল। মাঠের পর মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ভরে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অধিক ফলনের আশায় রয়েছে এই এলাকার কৃষকেরা।
উপজেলার শালফা, শুবলী, বোয়ালকান্দি, চৌবাড়িয়া, শৈলস্ন্যাপাড়া, গজারিয়া, সহ প্রায় সব এলাকাতেই সরিষার আবাদ হয়েছে, খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাজর, বিলনোথার, ঘোড়দৌড়, মাগুড়ারতাইর, খামারকান্দি, শুভগাছা, হুসনাবাদ, বোয়ালমাড়ি, বেড়েরবাড়ি, গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, কাফুড়া, রনবীরবালাসহ ১০টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে সরিষার আবাদ করেছেন কৃষকেরা।
শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১৮৫০ হেক্টর জমি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল সরিষা আবাদের জন্য। গত বছরও একই লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম বেশি পাওয়ায় এবার অর্জিত হয়েছে ১৮৮০ হেক্টর জমি। দিন দিন নতুন জাতের সরিষা আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকেরা।
কৃষক রেজাউল করিম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার জানান, সরিষা হলো লাভজনক একটি ফসল। কম খরচে কম সময় দিয়ে এ ফসল উৎপাদন করা যায়। এছাড়া জমির উর্বরতা বজায় থাকে। সরিষা তুলে ইরি ধান লাগাতে সহজ হয়। তাছাড়া ভেজাল খাবার রোধে নিজেদের জমিতে উৎপাদনকৃত সরিষা ভেঙে তেল তৈরি করে বাড়ির রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। সবদিক থেকে সরিষা একটি উপকারী ফসল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার সরিষার ফলন আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. শারমিন আক্তার জানান, উপজেলার প্রায় সবগুলো ইউনিয়নেই সরিষার আবাদ করা হয়। তবে খানপুর, খামারকান্দি, সুঘাট, মির্জাপুর ও গাড়িদহ ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হেক্টর জমি বেশি অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন জাতের সরিষা আবাদের জন্য কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে যাতে করে অল্প সময়ে তারা বেশি লাভবান হতে পারে।

শেয়ারকরুন: