মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
কাহালুতে ৬টি মামলায় ৩ হাজার ৪’শ টাকা জরিমানা আদায় করলেন ইউএনও মাছুদুর রহমান মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গাবতলীর নশিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের বৃক্ষরোপন গাবতলীতে জমি বায়নার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গাবতলীতে আওয়ামী লীগ নেতা রিবন এর মায়ের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল কাহালুর উত্তরসূরী গ্রুপের উদ্যোগে দেওগ্রাম হাইস্কুলে বৃক্ষরোপনের উদ্বোধন গাবতলী থানা পুলিশ-চুরি ডাকাতি ও মামদকসহ ৫ আসামীকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে কাহালুতে ১০ম দিনে ৭টি মামলায় ৩ হাজার ৫’শ টাকা জরিমানা গাবতলীতে বন বিভাগের গাছ চুরি ও গাছ ভাঙ্গার ঘটনায় ৮জনের বিরুদ্ধে মামলা কাহালু উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি শাহিন ফকিরের রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সোনাতলায় জাসদ নেতা হারুনের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

সফুরা হত্যা মামলা সোনাতলায় ১৮টি পরিবার পথে বসার উপক্রম

সফুরা হত্যা মামলা সোনাতলায় ১৮টি পরিবার পথে বসার উপক্রম

উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত থেকে জামিন নিয়েও বগুড়ার সোনাতলায় সফুরা হত্যা মামলার আসামীরা বাদিপক্ষের লোকজনের ভয়ে বাড়িতে ফিরতে পারেনি। এমনকি আসামীরা বাড়িতে না থাকার সুবাদে তাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে ওই মামলায় অভিযুক্ত ১৮টি পরিবার এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া গ্রামের মৃত ফজলুল হক মন্ডলের ছেলে আব্দুল হালিম মাষ্টারের সাথে একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের পুত্র শহিদুল ইসলামের সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষ আদালতে বেশ কয়েকটি পাল্টাপাল্টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এমনকি বিরোধপূর্ণ ওই জমিটি উভয়পক্ষ নিজেদের দখলে নিতে দফায় দফায় মারপিটের ঘটনা ঘটে।
এরই এক পর্যায়ে গত ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর উভয় পক্ষের মধ্যে ওই জমিজমা নিয়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। পরের দিন ১১ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সফুরা বেওয়া সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যায়।
এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এ ঘটনার পর আসামী পক্ষ গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে থাকার সুবাদে মামলার বাদি শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে তার লোকজন ১৮ পরিবারের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে করে ওই ১৮টি পরিবারের ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এমনকি ওই ঘটনার আসামীরা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত থেকে স্থায়ী জামিন নিয়ে এসেও বাড়িতে উঠতে পারছে না। আসামীদের বাড়িতে এলেই হুমকি ধামকি ও মারপিট করা হচ্ছে বলে আব্দুল হালিম মাষ্টার জানান।
এ বিষয়ে আব্দুল হালিম মাষ্টার জানান, থানায় অভিযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম রেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শেয়ারকরুন: