রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
নাট্যদিশারি আফসার আহমদ এর স্মরণসভা বগুড়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের কমিটি বাতিলের দাবীতে কাহালুতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত গাবতলীর জামিরবাড়িয়া পাকা সড়কে স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত গাবতলীর ১১জন বিসিএস ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারগণকে সংবর্ধণা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও দোষীদের শাস্তির দাবীতে বগুড়ায় সুজনের মানববন্ধন গাবতলীতে মোটর সাইেকেলের ধাক্কায় কলা ব্যবসায়ী নিহত লুকু সভাপতি, তাসকিন সম্পাদক নির্বাচিত গাবতলী পৌর ছাত্রদলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতএম এ মতিন,কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন প্রধান অতিথি ইঞ্জিঃ ইশরাক হোসেন গাবতলী থানা ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সফুরা হত্যা মামলা সোনাতলায় ১৮টি পরিবার পথে বসার উপক্রম

সফুরা হত্যা মামলা সোনাতলায় ১৮টি পরিবার পথে বসার উপক্রম

উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত থেকে জামিন নিয়েও বগুড়ার সোনাতলায় সফুরা হত্যা মামলার আসামীরা বাদিপক্ষের লোকজনের ভয়ে বাড়িতে ফিরতে পারেনি। এমনকি আসামীরা বাড়িতে না থাকার সুবাদে তাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে ওই মামলায় অভিযুক্ত ১৮টি পরিবার এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া গ্রামের মৃত ফজলুল হক মন্ডলের ছেলে আব্দুল হালিম মাষ্টারের সাথে একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের পুত্র শহিদুল ইসলামের সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষ আদালতে বেশ কয়েকটি পাল্টাপাল্টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এমনকি বিরোধপূর্ণ ওই জমিটি উভয়পক্ষ নিজেদের দখলে নিতে দফায় দফায় মারপিটের ঘটনা ঘটে।
এরই এক পর্যায়ে গত ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর উভয় পক্ষের মধ্যে ওই জমিজমা নিয়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। পরের দিন ১১ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সফুরা বেওয়া সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যায়।
এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এ ঘটনার পর আসামী পক্ষ গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে থাকার সুবাদে মামলার বাদি শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে তার লোকজন ১৮ পরিবারের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে করে ওই ১৮টি পরিবারের ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এমনকি ওই ঘটনার আসামীরা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত থেকে স্থায়ী জামিন নিয়ে এসেও বাড়িতে উঠতে পারছে না। আসামীদের বাড়িতে এলেই হুমকি ধামকি ও মারপিট করা হচ্ছে বলে আব্দুল হালিম মাষ্টার জানান।
এ বিষয়ে আব্দুল হালিম মাষ্টার জানান, থানায় অভিযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম রেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শেয়ারকরুন: