শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে হবে : মজিবর রহমান মজনু গাবতলীতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা গাবতলীতে পৌর বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠিত এলাকার উন্নয়ন ও কল্যানমুলক কাজ করতে চশমা মার্কায় ভোট দিন- মাওঃ সাইফুল সোনাতলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে কেক কর্তন গাবতলীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও কম্বল বিতরণ সোনাতলা পৌরসভার মেয়র ৩ মাসেও চেয়ারে বসতে পারেনি গাবতলীর সোনারায়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট চেয়ে প্রার্থী আজাদুলের গণসংযোগ গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নে আইয়ুব মাস্টারের গণসংযোগ

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবী বগুড়ায় সুজনের

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবী বগুড়ায় সুজনের

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্থা করা হয় এবং পরে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে রাত পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ জানায়, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে এবং তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নাগরিক সংগঠন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক বগুড়া জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানিয়ে রোজিনা ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবী করা হয়েছে।

একই সাথে হেনস্থা করার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানানো হয়।

বিবৃতিদাতারা হলেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান মন্টু, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন ইসলাম তুহিন, যুগ্ম সম্পাদক সেলিম রেজা সানু, আব্দুল লতিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুর রশীদ সাইন, সাইফুল ইসলাম লেবু, প্রচার সম্পাদক শাকিল আহম্মেদ চৌধুরী রনি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ারা ইসলাম শিল্পী, সদস্য রফিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আলমাস আলী, শফিকুর রহমান, সুজন গাবতলী উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি সাজেদুর রহমান মোহন, মাহবুবুর রহমান ছোটন, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ আবু মুসা, যুগ্ম সম্পাদক মাসুম মিয়া, শাজাহানপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি সাজেদুর রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান কাহালু উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তারসহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সুজন মনে করে, রোজিনা ইসলামের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এই ঘটনাকে স্বাধীন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং মুক্ত গণমাধ্যমের প্রতি হুমকি বলেই আমরা মনে করি। একজন নারী সাংবাদিকের ওপর স্বাস্থ্য বিভাগের এহেন আচরণ যেমন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই ঘটনার সাথে জড়িতদের যথোপযুক্ত বিচার দাবী করছি।
পরিশেষে বিস্ময়েরসাথে আমাদের প্রশ্ন জাগে যে, ‘তথ্য অধিকার আইন’ প্রণয়নের পরেও ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ নামের বৃটিশ আমলের কালাকানুনটি কিভাবে বহাল আছে? আমাদের প্রশ্ন জাগে, আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর আচরণ কি স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল সংবিধানে বর্ণিত নাগরিকদের ‘মৌলিক অধিকার’, বর্তমান সরকার প্রণীত ‘তথ্য অধিকার আইন’ ও ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ? আমরা সরকারকে বিষয় গুলো ভেবে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

শেয়ারকরুন: