রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
নাট্যদিশারি আফসার আহমদ এর স্মরণসভা বগুড়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের কমিটি বাতিলের দাবীতে কাহালুতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত গাবতলীর জামিরবাড়িয়া পাকা সড়কে স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত গাবতলীর ১১জন বিসিএস ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারগণকে সংবর্ধণা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও দোষীদের শাস্তির দাবীতে বগুড়ায় সুজনের মানববন্ধন গাবতলীতে মোটর সাইেকেলের ধাক্কায় কলা ব্যবসায়ী নিহত লুকু সভাপতি, তাসকিন সম্পাদক নির্বাচিত গাবতলী পৌর ছাত্রদলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতএম এ মতিন,কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন প্রধান অতিথি ইঞ্জিঃ ইশরাক হোসেন গাবতলী থানা ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট

মোঃ শিমুল  হাসান,(আদমদীঘি বগুড়া) প্রতিনিধিঃ দেশের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহি রেলওয়ে জংশন স্টেশনটি হচ্ছে সান্তাহার রেলওয়ে  জংশন । ১৮৮০সালে এই রেলওয়ে জংশন স্থাপিত হলেও ১৯০০সালের দিকে নির্মাণ করা হয় স্টেশনের সকল অবকাঠামো। এরপর থেকে সেবা দিয়ে আসছে জংশনটি। কিন্তুু অন্যান্য স্থানের জংশনের অবকাঠামোগত সব কিছুতেই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও সান্তাহার জংশনে এখন পর্যন্ত কোন ছোঁয়াই স্পর্শ করেনি। এমনকি স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষে পুরো জংশনে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। উক্ত জংশনের সবকিছু স্টেশন মাষ্টারের কক্ষে থেকে পর্যবেক্ষণ করার নিমিত্তে পুরো রেলওয়ে জংশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৯টি সিসি ক্যামেরা যুক্ত করা হয়। কিন্তুু বর্তমানে ১২টি ক্যামেরা সচল থাকলেও অবশিষ্ট ক্যামেরাগুলো প্রায় ২সপ্তাহ যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অথচ এখন পর্যন্ত এই ক্যামেরাগুলো মেরামত কিংবা সচল করার লক্ষে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রেলওয়ে জংশনে যদি কোন বড় ধরনের চুরি কিংবা ছিনতাই হয় অথবা কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে পরবর্তি সময়ে এই সিসি ক্যামেরা থেকে সহজেই অপরাধিদের দেখে চিহ্নিত করা সম্ভব। মূলত স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষেই এই সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছিলো। এতে করে এই জংশনে কিংবা  আশেপাশের অপরাধি চক্র যখন জানতে পারবে যে স্টেশনের সকল সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে তখন তারাও স্টেশন ও স্টেশনের আশেপাশে যে কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করা থেকে বিরত থাকবে। এছাড়াও স্টেশনের চারপাশে কোন মজবুত নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকায় অপরাধিরা স্টেশনে যে কোন ধরনের কর্মকান্ড করে খুব সহজেই এদিক-সেদিক দিয়ে পালিয়ে যেতে পারছে। তাই পুরো জংশনের চারপাশের জায়গা উদ্ধার করে যদি শক্ত ভাবে তার দিয়ে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা হয় তাহলে উক্ত জংশনে যাত্রী সেবার মান আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পাওয়াসহ জংশনের নিরাপত্তা বেষ্টনীও অনেক শক্ত বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এতে করে জংশনের যাত্রী সাধারনদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই নিশ্চিত হবে কারণ তখন কোন অপরাধি কোন কিছু করে আর সহজে জংশন  থেকে বের হতে পারবে না। সান্তাহার রেলওয়ে জংশনে আসা যাত্রী রফিকুল ইসলাম, সুনিল চন্দ্রসহ অনেকেই সাংবাদিকদের জানান, যদিও বা সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো হয়েছে। কিন্তুু যখন অপরাধি চক্রের সদস্যরা এবং সন্ত্রাসীরা জানতে পারবে যে স্টেশনের সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট তখন তারা আরো তৎপর হয়ে উঠবে। তাই সান্তাহার জংশন এর যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরাগুলো মেরামত এবং সব সময় সচল রাখা খুবই জরুরী। কারন জংশন  হচ্ছে অত্যন্ত জংশন এলাকা জনগুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার হাবিবুর রহমান বলেন প্রতিদিন এই জংশনে থেকে এবং স্টেশনের উপর দিয়ে গড়ে প্রায় ৩৫টি ব্রড ও মিটার গেইজ ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে। তাই প্রতিদিন দিন-রাত মিলে হাজার হাজার মানুষ এই জংশনের উপর দিয়ে যাতায়াত করেন। সেই হিসেবে জংশনে যাত্রী সেবার মান তেমন ভাবে বৃদ্ধি পায়নি। উক্ত জংশনে চরম জনবল সংকট হয়েছে। তবুও আমি সব সময় জংশনটি সচল রাখার চেস্টা করে আসছি। অচল সিসি ক্যামেরাগুলো সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত ভাবে জানিয়েছি কিন্তুু কোন লাভ হয়নি।

শেয়ারকরুন: