সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩১ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
কাহালুর জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত রইছউল আলম মন্ডল রাকাব’র চেয়ারম্যান হিসেবে পুন:নিয়োগ গাবতলীর কদমতলীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী গামা’র নির্বাচনী অফিস উদ্ধোধন গাবতলীতে বিদ্যুৎ খুটি থেকে সেচ পাম্পের তিনটি ট্রান্সফর্মার চুরি দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় গাবতলীতে আ’লীগের ছয় নেতাকে বহিস্কার গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত গাবতলীতে আগুনে পোড়া বাড়ী পরিদর্শন ও কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও রওনক জাহান গাবতলীতে ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সোনাতলায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে আপন দুই সহোদর টিএমএসএস মমইন বিনোদন জগতে আইসক্রিম পার্লারের উদ্বোধন

সোনাতলার চাঁন মিয়া আজও পায়নি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

সোনাতলার চাঁন মিয়া আজও পায়নি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নিজের জীবন বাঁজি রেখে, দেশের স্বাধীনতাকে পাক হানাদার বাহিনীর নিকট থেকে ছিনিয়ে আনতে সেই দিন যারা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম চাঁন মিয়া। স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। তিনি বর্তমানে বার্ধক্যজনিত কারণে শয্যাশায়ী। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের নূরারপটল গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিন মন্ডলের ৩য় ছেলে বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ চাঁন মিয়া মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ৭নং সেক্টরের অধীনে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাহার গেজেট নং-১৩০১, পৃষ্ঠা নং-৪৫, ২০০৫ সালের ১৪ মে প্রকাশিত। তাহার ভারতীয় তালিকার ক্রমিক নং-৩৯২০, এফএফ নং-৮০৬১। স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও আজও ওই মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।
এ বিষয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধা ২০১৮ সালের মার্চ মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মুক্তিযুদ্ধের সম্মানী ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্তির জন্য নাম অন্তভুক্তির আবেদন করেন। এরপর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিকুর আলম ২০১৮ সালের ১৪ জুন ওই মুক্তিযোদ্ধার আবেদন পত্রটি সুপারিশ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার নিকট পত্রটি প্রেরণ করেন। অদ্যবধি ওই মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাননি। এ বিষয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধার একমাত্র পুত্র মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার পিতা একজন তালিকাভুক্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা। এখন তিনি অসুস্থ ও শয্যাশায়ী। তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে ৮৮ বছর বয়সেও ওই মুক্তিযোদ্ধা পাননি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। এজন্য ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধার সকল সুযোগ সুবিধা পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা সমাজ সেবা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এই ষ্টেশনে নতুন এসেছি। আমি এ বিষয়ে অবগত নই। ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের সকল কাগজপত্র সহ তার দপ্তরে আগামী মঙ্গলবার দেখা করতে বলেছেন বলে জানান।

শেয়ারকরুন: