বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
বগুড়ায় নূরানী এইচকিউ মডেল মাদ্রাসার তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত আত্মহননঃ  একূল-ওকূল হারাতে হয় প্রাচীর নির্মাণের সৃষ্ঠজটিলতা নিরসনকল্পে গাবতলীর সোন্দাবাড়ী হাইস্কুলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ার শিবগঞ্জের বাঘমারা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক আতিক রহমান গাবতলীতে অভ্যন্তরীণ আমন ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন করলেন রবিন খান রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু চালক আটক বগুড়া র‌্যাবের অভিযানে ৫৮১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কাহালুতে ১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল কাহালু খাদ্য গুদামে আমন ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন বিএনপি নেতা মতি’র মাগফিরাত কামনায় গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া

সোনাতলার নওদাবগায় ৪শ’ বছরের পুরাতন মসজিদ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে

সোনাতলার নওদাবগায় ৪শ’ বছরের পুরাতন মসজিদ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে

বদিউদ-জ্জামান মুকুল, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার সোনাতলায় ৪শ’ বছরের মসজিদ আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। অযত্ন অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি দুটি ধমীয় প্রতিষ্ঠান।
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে জোড়গাছা ইউনিয়নের নওদাবগা গ্রাম। ওই গ্রামে ১২১৬খ্রিঃ আগমন ঘটে জমিদার আহসানউল্লাহ বাবু মিয়ার পূর্ব পুরুষদের। ওই সময় জমিদার বাড়ির উঠানে নির্মাণ করা হয় দুইটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। কালের বিবর্তনে এবং অযত্ন অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠান দুটি।
স্থানীয় লোকজন জানান, জমিদার আনোয়ার আকন্দ ও জমিদার জালাল আকন্দ তাদের দরবার শালার পাশেই দুই ভাইয়ের জন্য আলাদা দুইটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। জমিদার শাহ আহসান উল্লাহ বাবু মিয়াদের বসতবাড়িটি প্রায় ১২ একর জায়গা জুড়ে। তার পুত্র শাহ আমান উল্লাহ টেপা কয়েক দফা জোড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করলেও তার পূর্ব পুরুষদের স্থাপনকৃত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটি অজ্ঞাত কারণে সংস্কার ও মেরামত করেননি।
বর্তমানে ওই দুটি প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন একটি জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন আরও জানান, প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যদের মৃত এবং দেশের বাহিরে অবস্থান করায় ঐতিহ্যবাহী ওই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার অভাবে দিনদিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সৌন্দর্য।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চলতি মাসেই তিনি ওই উপজেলায় যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে কেউ তাকে অবগত করেননি।
উল্লেখ্য, প্রায় ৪শ’ বছর পূর্বে ওই দুটি ধমীয় প্রতিষ্ঠান জমিদার পরিবারের লোকজন প্রতিষ্ঠা করলেও আজও এক নজর দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান দেখে লোকজন ওই এলাকায় ভীড় জমায়।

শেয়ারকরুন: