বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
শাজাহানপুরের খোট্রাপাড়া’য় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীতে পত্রিকা বিক্রেতাকে হত্যার হুমকি; থানায় অভিযোগ গাবতলীতে স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং থানায় ৩ জনের নামে অভিযোগ গাবতলীতে এক অন্ধ’র বাড়ি পুড়েছে খোলা আকাশের নিচে তাদের বসবাস সরকার আসে, সরকার যায় তাদের নেতাকর্মী প্রতিশ্রুতি দেয়- সোনাতলায় ৩শ’ ফুট কাঁচা রাস্তা কাঁচাই রয়ে গেল জনপ্রতিনিধিকে খুশি করতে না পারায়-৭৯ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা ভাগ্য জোটেনি সুমতি রানীর কাহালুতে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেল চালক নিহত কাহালুতে করোনার টিকাদান কর্মসূচী সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত লাখো মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ- গাবতলী-চৌকিরঘাট সড়কে অসংখ্যস্থানে গর্তের সৃষ্টি গাবতলীর কাগইলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সোনাতলার নওদাবগায় ৪শ’ বছরের পুরাতন মসজিদ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে

সোনাতলার নওদাবগায় ৪শ’ বছরের পুরাতন মসজিদ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে

বদিউদ-জ্জামান মুকুল, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার সোনাতলায় ৪শ’ বছরের মসজিদ আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। অযত্ন অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি দুটি ধমীয় প্রতিষ্ঠান।
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে জোড়গাছা ইউনিয়নের নওদাবগা গ্রাম। ওই গ্রামে ১২১৬খ্রিঃ আগমন ঘটে জমিদার আহসানউল্লাহ বাবু মিয়ার পূর্ব পুরুষদের। ওই সময় জমিদার বাড়ির উঠানে নির্মাণ করা হয় দুইটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। কালের বিবর্তনে এবং অযত্ন অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠান দুটি।
স্থানীয় লোকজন জানান, জমিদার আনোয়ার আকন্দ ও জমিদার জালাল আকন্দ তাদের দরবার শালার পাশেই দুই ভাইয়ের জন্য আলাদা দুইটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। জমিদার শাহ আহসান উল্লাহ বাবু মিয়াদের বসতবাড়িটি প্রায় ১২ একর জায়গা জুড়ে। তার পুত্র শাহ আমান উল্লাহ টেপা কয়েক দফা জোড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করলেও তার পূর্ব পুরুষদের স্থাপনকৃত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটি অজ্ঞাত কারণে সংস্কার ও মেরামত করেননি।
বর্তমানে ওই দুটি প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন একটি জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন আরও জানান, প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যদের মৃত এবং দেশের বাহিরে অবস্থান করায় ঐতিহ্যবাহী ওই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার অভাবে দিনদিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সৌন্দর্য।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চলতি মাসেই তিনি ওই উপজেলায় যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে কেউ তাকে অবগত করেননি।
উল্লেখ্য, প্রায় ৪শ’ বছর পূর্বে ওই দুটি ধমীয় প্রতিষ্ঠান জমিদার পরিবারের লোকজন প্রতিষ্ঠা করলেও আজও এক নজর দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান দেখে লোকজন ওই এলাকায় ভীড় জমায়।

শেয়ারকরুন: