রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গবিন্দগঞ্জের উজিরেরপাড়া বাইগুনীতে জমি নিয়ে ত্রিমুখী বিরোধ- ঘরের বেড়া ভাংচুর গাবতলীতে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সুখানপুকুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনাতলায় পিঁয়াজ চাষ বৃদ্ধি ও পাটবিজ উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষক প্রশিক্ষণ মোশাররফ হোসেন বগুড়ার সোনাতলায় গাজাগুরু তহসেন আলি সহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক নাট্যদিশারি আফসার আহমদ এর স্মরণসভা বগুড়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের কমিটি বাতিলের দাবীতে কাহালুতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত গাবতলীর জামিরবাড়িয়া পাকা সড়কে স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত গাবতলীর ১১জন বিসিএস ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারগণকে সংবর্ধণা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও দোষীদের শাস্তির দাবীতে বগুড়ায় সুজনের মানববন্ধন

সোনাতলায় অধিক ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষক

সোনাতলায় অধিক ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষক

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলার কৃষক এবার কম জমিতে অধিক ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল ধান রোপনে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে। শ্রমিক সংকট দেখা দিলেও দ্বিগুন মজুরী দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধান রোপন করতে দেখা গেছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলাটি ১৫৬.৯৩ বর্গ কিলোমিটার।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে,ওই উপজেলায় মোট জমির পরিমাণ ১৫ হাজার ৬৯৩ হেক্টর। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর। দিন দিন আবাদি জমিতে পুকুর খনন, বাড়িঘর নির্মাণ করার কারণে ওই উপজেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও জমির টপ সোয়েল (মাটি) ইট ভাটায় বিক্রি করার ফলে জমি উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়াও রাক্ষুসী যমুনা ও বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। যার ফলে ওই উপজেলার কৃষকেরা কম জমি থেকে বেশি ফসল উৎপন্ন করতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান রোপন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
২৮ জানুুয়ারী বৃহস্পতিবার সরজমিনে উপজেলার বালুয়াহাট, মধুপুর, উত্তর করমজা, হরিখালী, তেকানী, কাচারীবাজার, পাকুল্লা, হুয়াকুয়া, শ্যামপুর, চরপাড়া, ভেলুরপাড়া, শিচারপাড়া, রানীরপাড়া, রংরারপাড়া, গোসাইবাড়ী, ঠাকুরপাড়া, হাটকরমজা, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, দিঘলকান্দী ও মহিচরণ এলাকার কৃষকেরা প্রতি বিঘা ১৮শ থেকে ২ হাজার টাকা বিঘা চুক্তিতে রোপন করছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় দ্বিগুন মজুরী দিয়ে কৃষক ধান রোপন করছে।
এ বিষয়ে শ্যামপুর এলাকার আজিজার রহমান, পাকুল্লা এলাকার বেল্লাল মাষ্টার, তেকানী এলাকার জাহিদুল ইসলাম জানান, উপশী জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান রোপনে কম জমি থেকে বেশি ফলনের আশায় এবার তারা ওই জাতের ধানগুলো রোপন করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহমেদ জানান, চলতি বছর বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার কৃষকেরা কম জমি থেকে বেশি ফলন লাভের আশায় উপশী জাতের উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-৮১, ব্রি ধান-৮৬, ব্রি ধান-৮৮ রোপন করছে। এই ধান রোপনের ১৪০ থেকে ১৪৫ দিনের মধ্যে কৃষক কর্তন করতে পারে। প্রতি বিঘায় এই ধান ২৫ থেকে ২৭ মন উৎপন্ন হয়। এছাড়াও ব্রি ধান-৮৯ রোপনের ১৫৬ থেকে ১৬০ দিনের মধ্যে কৃষক ধান ঘরে আনতে পারে। এই ধান প্রতি বিঘা জমিতে ৩৩ থেকে ৩৪ মন উৎপন্ন হয়। তাই এই জাতের ধান রোপনের প্রতি কৃষক আগ্রহ বেশি।

শেয়ারকরুন: