বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
শাজাহানপুরের খোট্রাপাড়া’য় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীতে পত্রিকা বিক্রেতাকে হত্যার হুমকি; থানায় অভিযোগ গাবতলীতে স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং থানায় ৩ জনের নামে অভিযোগ গাবতলীতে এক অন্ধ’র বাড়ি পুড়েছে খোলা আকাশের নিচে তাদের বসবাস সরকার আসে, সরকার যায় তাদের নেতাকর্মী প্রতিশ্রুতি দেয়- সোনাতলায় ৩শ’ ফুট কাঁচা রাস্তা কাঁচাই রয়ে গেল জনপ্রতিনিধিকে খুশি করতে না পারায়-৭৯ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা ভাগ্য জোটেনি সুমতি রানীর কাহালুতে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেল চালক নিহত কাহালুতে করোনার টিকাদান কর্মসূচী সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত লাখো মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ- গাবতলী-চৌকিরঘাট সড়কে অসংখ্যস্থানে গর্তের সৃষ্টি গাবতলীর কাগইলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় বিলুপ্তির গরীবের এসি ঘর

সোনাতলায় বিলুপ্তির গরীবের এসি ঘর

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার পুরাতন ঐতিহ্য মাটির ঘর। মাটির ঘর এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে অতি সু-শীতল শান্তির নীড়। ঠান্ডা গরম সব রকমের ঋতুমাখা এ এলাকার গরিবের জন্য আরামদায়ক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এসি ঘর নামেও পরিচিতি ছিল এই মাটির ঘর।
গতকাল বুধবার সরেজমিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া, দিঘলকান্দী, নওদাবগা, পাঠানপাড়া, কর্পূর, চিল্লিপাড়া, মহিচরণ, নূরারপটল, দিগদাইড়, বালুয়া, রশিদপুর, পুগলিয়া, ধর্মকুল সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় এবং অত্র এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাটির ঘর এক সময় সবার কাছে ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। স্থানীয় গ্রামের বিত্তবান লোকেরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মাটির ঘর নির্মাণ করতেন। যা এখনো কিছু কিছু এলাকায় চোখে পড়ে। বর্তমানে গ্রামীণ ঐতিহ্যের মাটির ঘরের আগ্রহ কমছে মানুষের। মাটির ঘরের বদলে তৈরি হচ্ছে ইট-সুরকির বিশাল অট্টালিকা।
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের উত্তর বাঁশহাটা গ্রামের শ্যামকানাই জানান, বাপ দাদারা আমল থেকে মাটির ঘরে বসবাস করে আসছি। মাটির ঘরে বসবাসে কোন ঝুঁকি নেই। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই আরামদায়ক মাটির ঘর।
এছাড়াও বালুয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া পালপাড়া গ্রামের হরিনাথ রায় জানান, মাটির ঘর গরমের সময় ঠান্ডা ও শীতের সময় গরম লাগে। মনে হয় এ যেন এসি ঘরে বসবাস করছি। এছাড়াও হলিদাবগা এলাকার সাইফুল ইসলাম জানান, পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য শখের বসে মাটির ঘর তৈরি করেছি। মাটির ঘরে বসবাস করা খুব আরাম দায়ক।
এ বিষয়ে সোনাতলা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ নান্নু জানান, ইট পাথরের ঘরে আর থাকতে মন চায় না। মাটির তৈরি ঘরে বসবাস করা আরাম দায়ক। সময় সুযোগ পেলে মাটির তৈরি একটি বারাম খানা তৈরি করবো।

শেয়ারকরুন: