শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে মোটর সাইেকেলের ধাক্কায় কলা ব্যবসায়ী নিহত লুকু সভাপতি, তাসকিন সম্পাদক নির্বাচিত গাবতলী পৌর ছাত্রদলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতএম এ মতিন,কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন প্রধান অতিথি ইঞ্জিঃ ইশরাক হোসেন গাবতলী থানা ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনাতলায় জোরপুর্বক জমিদখলের চেষ্টা অতঃপর বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাটসহ মারধরে আহত-৩ দেহের একটু রক্ত দিলে যদি বাঁচে একটি প্রাণ ধন্য তোমার পিতা মাতা মহৎ তোমার দান সোনাতলায় ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনাতলায় পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিযোগিতার মাঠে চলছে প্রার্থীদের গনসংযোগ বগুড়া প্রেসক্লাবের সদস্য. দৈনিক চাঁদনী বাজার পত্রিকার সাবেক সম্পাদক মাকছুদুরের ইন্তেকাল

সোনাতলায় যমুনা নদীতে পানি কমলেও বেড়েছে বাঙালীতে

সোনাতলায় যমুনা নদীতে পানি কমলেও বেড়েছে বাঙালীতে

বদিউদ-জ্জামান মুকুল, স্টাফ রিপোর্টার: সোনাতলায় গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীতে পানি বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হলেও বাঙালী নদীতে ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছেন।
বগুড়ার সোনাতলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রাক্ষুসি যমুনা নদীতে পানি কমলেও বেড়েছে বাঙালী নদীতে। এদিকে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৩৬০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়াও মাসকালাই, বীজতলা ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে যমুনা নদীতে পানি কমার সাথে সাথে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যেই বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের ৫টি চরের প্রায় ৩ শতাধিক বাড়িঘর, গাছপালা ও ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছে। এছাড়াও তেকানীচুকাইনগর ও পাকুল্লায় বেশ কিছু মানুষ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে বানভাসী মানুষেরা জানান, এবারের বন্যা দীর্ঘ স্থায়ী হলেও চতুর্থ বারের বন্যার পর এখন পর্যন্ত কোন ত্রাণ সামগ্রী তারা পায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন জানান, চলতি বছর চার দফা বন্যায় কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহমেদ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীতে বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে ও বাঙালী নদীতে বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, পরপর চার বারের বন্যায় নদীকুলীয় মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সেই সাথে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের হাতে কাজ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন জানান, এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জন্য ৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ত্রাণ বিতরণ শুরু হবে।

শেয়ারকরুন: