সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে যুবদল নেতা সোহাগ অসুস্থ্য ॥ টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি সোহেল সভাপতি, মনিন্দ্র সম্পাদক গাবতলীর সুখানপুকুর ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলন বগুড়ায় ২৯৭ তম রোভার স্কাউট লিডার ওরিয়েন্টেশন কোর্স’২১ অনুষ্ঠিত গাবতলীর কাগইলে প্রতিন্ধীদের কল্যাণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাবতলীর দক্ষিনপাড়া লাংলু তরুণ সংঘ উন্নয়ন ক্লাব উদ্বোধন কাহালুর ডোমরগ্রাম কেন্দ্রীয় বড় জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুলেল তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নব-গঠিত কেন্দ্রীয় কৃষকদলের নেতৃবৃন্দ ধ্বংসের শেষ ধাপে ঐতিহ্যবাহী তুষভান্ডার জমিদার বাড়ী বগুড়ায় দেড় কেজি গাজা ও চাপাতি সহ গ্রেফতারঃ ১ সোনাতলায় হাইস্কুল মাঠে ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন কামালেরপাড়া একাদশের কাছে বিশুরপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা ২-১ গোলে পরাজিত

সোনাতলায় হাটে বাজারে ভেজাল খাদ্য সামগ্রী অবাধে বিক্রি, প্রশাসন নির্বিকার

সোনাতলায় হাটে বাজারে ভেজাল খাদ্য সামগ্রী অবাধে বিক্রি, প্রশাসন নির্বিকার

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার হাটে বাজারে রং মিশ্রিত হলুদ ও মরিচের গুড়া অবাধে বিক্রি হচ্ছে। বিএসটিআই এর অনুমোদনবিহীন এসব ভেজাল খাদ্য সামগ্রী মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব ভেজাল পণ্য বিক্রি করে ফায়দা লুটছে।
৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সরজমিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার করমজা হাট, বালুয়াহাট, তেকানীচুকাইনগর, পাকুল্লা, হরিখালী, কাচারীবাজার, শালিখা, ফুলবাড়ী, তালতলা, মধুপুর, কর্পূর, চরপাড়া হাটের দোকানগুলোতে বিএসটিআই এর অনুমোদন ও প্যাকেটজাত বিহীন হলুদ ও মরিচের গুড়া অবাধে বিক্রি হচ্ছে। এসব হাট বাজারে খোলা হলুদ প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং মরিচের গুড়া ৩০০শ’ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়া জেলা শহর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে সোনাতলা উপজেলার অবস্থান। ওই উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ছোট বড় ৪২টি হাট বাজার রয়েছে। এসকল হাট বাজারে ভ্রাম্যমান এবং স্থায়ী দোকানী অধিক মুনাফা লাভের আশায় রং মিশ্রিত এসব হলুদ ও মরিচের গুড়া বিক্রি করছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওই উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার মানুষের বসবাস। তাদের অধিকাংশ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। অপরদিকে শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত।
এ বিষয়ে তেকানী কাচারীবাজার এলাকার তুহিন মিয়া (৪৮), আইয়ুব হোসেন বেপারী (৬৫), সালাহ উদ্দিন সরদার (৮৫), পাকুল্লা এলাকার ভিক্ষু মিয়া (৭৫), জরিনা বেওয়া (৬০), শামসুন্নাহার বেগম (৪০), জায়দা বেওয়া (৭৫) জানান, যে সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়, দিনে যাদের দু’বেলা দুমুঠো অন্ন জোটে না সেই মানুষগুলো প্যাকেটজাত এসব খাদ্য সামগ্রী ক্রয়ের সামর্থ না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা হাটে বাজার থেকে এসব পণ্য কিনতে বাধ্য হতে হয়।
এ বিষয়ে সুখানপুকুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাঃ হুমায়ন কবীর ইমরানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এসব ভেজাল পণ্য মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। রং মিশ্রিত এসব ভেজাল পণ্য খাওয়ার ফলে মানব দেহে ঘাতকব্যধি ক্যান্সার সহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

শেয়ারকরুন: