শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
সোনাতলা-গাবতলী সড়কে  ট্রাকের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হয়েছে মাননীয় স্পিকার শহীদ জিয়ার লাশ কবরে আছে কি নেই এতদিন পরে তা কেন সংসদে আলোচনা হচ্ছে –এম পি মোশারফ হোসেন প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে গাবতলীতে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গাবতলীতে দর্জি শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ সোনাতলায় খামারীদের প্রশিক্ষণে বিভাগীয় পরিচালকের পরিদর্শন কাহালুতে “প্রতিবন্ধী নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণে” উপজেলা সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা গাবতলীতে নিখোঁজ হওয়ার ৩দিন পর এক মহিলার লাশ উদ্ধার বগুড়ায় ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বারপুর মধ্যপাড়ার বাপ্পী সহ গ্রেফতারঃ ০৫ মহাস্থানহাটের বইকচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়,অনেক নারী-পুরুষ শ্রমিকের কর্মস্থান যুগিছে গাবতলীতে জবাই করা লাশ উদ্ধার মোটর সাইকেলসহ যুবক আটক

সোনাতলা দুটি পাথরের রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি!

সোনাতলা দুটি পাথরের রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি!

মিনাজুল ইসলাম,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় ২টি পাথরের রহস্য আজ অবধি কেউ উদঘাটন করতে পারেনি। তবে জানাও হয়নি ওই দুটি পাথরের জন্ম রহস্য। ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে কৌতুহল গল্প বিরাজ করছে। চারকোনা পাথর দুইটি সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারেন না। কোন কালে স্থাপিত হয়েছিল তাও অজানা। এমনকি কোন ইতিহাসবিদও ওই দুটি পাথর সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোথাও কিছু লিখে রাখেনি। শুধু লোকমুখে বানানো কল্পিত গল্পই শোনা যায়। যে যার মতো করে বলে।
বগুড়া জেলা সদর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে সোনাতলা উপজেলার অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার পূর্বে কাবিলপুর ও গড়ফতেপুর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে দুটি জোড়া পাথর রয়েছে যুগ যুগ ধরে। আজও ওই দুটি জোড়া পাথরের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি কেউ। ফলে কৌতুহল রয়েছে এলাকাবাসী ও পথচারীদের মধ্যে ওই জোড়া পাথরের রহস্য নিয়ে।
গড়ফতেহপুর এলাকাটি পাহাড়ী এলাকার মতো উঁচু নিচু। পাশেই বাঙালী নদী। লোকমুখে শোনা যায় অতীতে এই এলাকাটি ছিল জঙ্গলে ভরা। স্থানীয় লোকজন ওই পথ দিয়ে ভয়ে চলাচল করতে পারেনি। এর মধ্যেই পাথরের অবস্থান। গ্রামের মানুষ বংশানুক্রমে জন্মের পর থেকে পাথর দেখে আসছে । অতীতে জোড়া পাথরের পাশেই ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কালি মন্দির। সেই মন্দিরে বিভিন্ন হিন্দু ধম্বাবলম্বীর লোকজন সেখানে কালি পুজা করে আসছিল। লোকজনের মধ্যে ভয় আতঙ্ক বিরাজ করায় বর্তমানে কালি মন্দির অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
এখনও বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মের লোকজন মান্নত হিসেবে ওই পাথরের ওপর গাভীর দুধ ঢেলে দিয়ে আসছে। অতীতে সন্ধ্যার পর এই রাস্তায় একা চলাচল করতে অনেকেই ভয় পেতো। কখনও শোনা যায় জোড়া পাথরের ভিতর থেকে কালো বিড়াল বের হয়ে ছুটাছুটি করে। আবার বেশি বাতাসে কোন বাঁশ হেলে পড়লে লোকজন ভিন্ন পথে যেত।
ওই এলাকার প্রবীন শিক্ষাবিদ লেখক ও সাংবাদিক সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল জলিল মিঞা জানান, আমার বয়স শত বছরের উপরে। আমার জন্মের আগে থেকেও লোকজন ওই দুটি পাথর দেখে আসছে। পাথর দুটির পাশেই রয়েছে বিশাল বাঁশঝাড়। বাঁশের ঝাড়ের পাশেই নাপিত সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। তাই এলাকাটিকে নাপিতের আড়া বলে থাকে অনেকে।

শেয়ারকরুন: