শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে হবে : মজিবর রহমান মজনু গাবতলীতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা গাবতলীতে পৌর বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠিত এলাকার উন্নয়ন ও কল্যানমুলক কাজ করতে চশমা মার্কায় ভোট দিন- মাওঃ সাইফুল সোনাতলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে কেক কর্তন গাবতলীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও কম্বল বিতরণ সোনাতলা পৌরসভার মেয়র ৩ মাসেও চেয়ারে বসতে পারেনি গাবতলীর সোনারায়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট চেয়ে প্রার্থী আজাদুলের গণসংযোগ গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নে আইয়ুব মাস্টারের গণসংযোগ

সোনাতলা দুটি পাথরের রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি!

সোনাতলা দুটি পাথরের রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি!

মিনাজুল ইসলাম,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় ২টি পাথরের রহস্য আজ অবধি কেউ উদঘাটন করতে পারেনি। তবে জানাও হয়নি ওই দুটি পাথরের জন্ম রহস্য। ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে কৌতুহল গল্প বিরাজ করছে। চারকোনা পাথর দুইটি সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারেন না। কোন কালে স্থাপিত হয়েছিল তাও অজানা। এমনকি কোন ইতিহাসবিদও ওই দুটি পাথর সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোথাও কিছু লিখে রাখেনি। শুধু লোকমুখে বানানো কল্পিত গল্পই শোনা যায়। যে যার মতো করে বলে।
বগুড়া জেলা সদর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে সোনাতলা উপজেলার অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার পূর্বে কাবিলপুর ও গড়ফতেপুর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে দুটি জোড়া পাথর রয়েছে যুগ যুগ ধরে। আজও ওই দুটি জোড়া পাথরের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি কেউ। ফলে কৌতুহল রয়েছে এলাকাবাসী ও পথচারীদের মধ্যে ওই জোড়া পাথরের রহস্য নিয়ে।
গড়ফতেহপুর এলাকাটি পাহাড়ী এলাকার মতো উঁচু নিচু। পাশেই বাঙালী নদী। লোকমুখে শোনা যায় অতীতে এই এলাকাটি ছিল জঙ্গলে ভরা। স্থানীয় লোকজন ওই পথ দিয়ে ভয়ে চলাচল করতে পারেনি। এর মধ্যেই পাথরের অবস্থান। গ্রামের মানুষ বংশানুক্রমে জন্মের পর থেকে পাথর দেখে আসছে । অতীতে জোড়া পাথরের পাশেই ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কালি মন্দির। সেই মন্দিরে বিভিন্ন হিন্দু ধম্বাবলম্বীর লোকজন সেখানে কালি পুজা করে আসছিল। লোকজনের মধ্যে ভয় আতঙ্ক বিরাজ করায় বর্তমানে কালি মন্দির অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
এখনও বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মের লোকজন মান্নত হিসেবে ওই পাথরের ওপর গাভীর দুধ ঢেলে দিয়ে আসছে। অতীতে সন্ধ্যার পর এই রাস্তায় একা চলাচল করতে অনেকেই ভয় পেতো। কখনও শোনা যায় জোড়া পাথরের ভিতর থেকে কালো বিড়াল বের হয়ে ছুটাছুটি করে। আবার বেশি বাতাসে কোন বাঁশ হেলে পড়লে লোকজন ভিন্ন পথে যেত।
ওই এলাকার প্রবীন শিক্ষাবিদ লেখক ও সাংবাদিক সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল জলিল মিঞা জানান, আমার বয়স শত বছরের উপরে। আমার জন্মের আগে থেকেও লোকজন ওই দুটি পাথর দেখে আসছে। পাথর দুটির পাশেই রয়েছে বিশাল বাঁশঝাড়। বাঁশের ঝাড়ের পাশেই নাপিত সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। তাই এলাকাটিকে নাপিতের আড়া বলে থাকে অনেকে।

শেয়ারকরুন: