রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২১ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
গাবতলীতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় প্রধান অতিথি রাগেবুল আহসান রিপু গাবতলীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মোকামতলায় এলপিজি অটো গ্যাস ষ্টেশনের উদ্বোধন কাহালুর পাইকড় ইউনিয়নে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক গণশুনানী অনুষ্ঠিত ডোমারে সড়ক দূঘর্টনায় যুবক নিহত গাবতলীতে শিক্ষক সুজাকে লাঞ্ছিত করায় সুজনের নিন্দা গাবতলীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাগফিরাত ও জীবিতদের কল্যাণ কামনায় দোয়া মাহফিল গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’র কমিটি অনুমোদন বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের দশটিকায় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সোনাতলা-গাবতলী সড়কে  ট্রাকের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হয়েছে

হুমকির মুখে বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাটকরমজা-গণকপাড়া পাকা সড়ক বাঙালী নদী গিলে খাচ্ছে

হুমকির মুখে বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাটকরমজা-গণকপাড়া পাকা সড়ক বাঙালী নদী গিলে খাচ্ছে

বদিউদ-জ্জামান মুকুল, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার সোনাতলার হাটকরমজা-গণকপাড়া পাকা সড়ক বাঙালী নদী গিলে খাচ্ছে। সেই সাথে হুমকির মুখে পড়েছে গণকপাড়া বাজার, গণকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গণকপাড়া কলেজ ও গণকপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় সহ ১০টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার বসতবাড়ি।
গত ৩/৪ বছর যাবত বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সোনাতলা উপজেলার ১৯টি পয়েন্টে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সেই সাথে বাঙালী নদীর ভাঙনে হাটকরমজা-গণকপাড়া ভায়া নারচী হয়ে সারিয়াকান্দি সড়কটি বাঙালী নদী গিলে খাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে গণকপাড়া বাজার সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অপরদিকে বাঙালী নদীর ভাঙন রোধে এখনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে ১০টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়বে। ইতিমধ্যেই শতশত আবাদী জমি, ঘরবাড়ি, গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
রোববার সরজমিনে সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা গেছে, যমুনা ও বাঙালী নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এমনকি হাটকরমজা-গণকপাড়া সড়কের বেশির ভাগ অংশ বাঙালী নদী গিলে ফেলেছে। সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে সোনাতলার সাথে সারিয়াকান্দি উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
স্থানীয় লোকজন জানান, ওই সড়কটি দিয়ে ওই দুই উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ লাখ মানুষ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। এছাড়াও ওই এলাকার প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল। তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ওই সড়ক দিয়ে খুব সহজেই জেলা সদরে স্বল্প খরচে পরিবহন করতে সক্ষম হয়।
বাঙালী নদী থেকে গণকপাড়া বাজার ও তিনটি প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব মাত্র ৩০০ গজ। জরুরী ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধ না করতে পারলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ওই স্থাপনাগুলো মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।
এ বিষয়ে সোনাতলার জোড়গাছা ইউপি চেয়ারম্যান রোস্তম আলী মন্ডল ও নারচী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বান্টু জানান, সোনাতলা উপজেলার সাথে একমাত্র যোগাযোগ রক্ষাকারী সড়কটি আজ হুমকির মুখে। সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে কৃষক তাদের উৎপাদিক ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, অচিরেই বাঙালী নদীর ভাঙনরোধে কাজ শুরু হবে।

শেয়ারকরুন: