বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

নোটিশ
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম.........
শিরোনাম >>>
শাজাহানপুরের খোট্রাপাড়া’য় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীতে পত্রিকা বিক্রেতাকে হত্যার হুমকি; থানায় অভিযোগ গাবতলীতে স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং থানায় ৩ জনের নামে অভিযোগ গাবতলীতে এক অন্ধ’র বাড়ি পুড়েছে খোলা আকাশের নিচে তাদের বসবাস সরকার আসে, সরকার যায় তাদের নেতাকর্মী প্রতিশ্রুতি দেয়- সোনাতলায় ৩শ’ ফুট কাঁচা রাস্তা কাঁচাই রয়ে গেল জনপ্রতিনিধিকে খুশি করতে না পারায়-৭৯ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা ভাগ্য জোটেনি সুমতি রানীর কাহালুতে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেল চালক নিহত কাহালুতে করোনার টিকাদান কর্মসূচী সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত লাখো মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ- গাবতলী-চৌকিরঘাট সড়কে অসংখ্যস্থানে গর্তের সৃষ্টি গাবতলীর কাগইলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সাজ্জাদুজ্জামান জয়ের পরিচালনায় করোনা হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

৪ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীনের আংশকা বগুড়ায় বাঙালী নদীর তীর সংরক্ষণ ও খননের কাজ আজও শুরু হয়নি

৪ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীনের আংশকা বগুড়ায় বাঙালী নদীর তীর সংরক্ষণ ও খননের কাজ আজও শুরু হয়নি

বদিউদ-জ্জামান মুকুল,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় আজও শুরু হয়নি বাঙালী নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ। ফলে বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। অপরদিকে এক শ্রেণীর মুনাফালোভী বালু ব্যবসায়ীরা শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু তোলার কাজ অব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি প্রশাসনের গোচরে দেওয়া হলেও তারা রয়েছে দর্শকের ভুমিকায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি, ধুনট ও শেরপুর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বাঙালী নদীর ১৯ কিলোমিটার এলাকায় ২২টি লটে নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধায়নে ওই নদী খনন করা হবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে ৩২০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই বগুড়ার ওই ৪ উপজেলায় নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য সিসি বøক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। । শুধুমাত্র বগুড়ার ধুনট উপজেলা ব্যতিত এখনও তিন উপজেলায় নদী খননের কাজ শুরু হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।
এদিকে বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই চার উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও এক শ্রেণির মুনাফালোভী বালু ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কাজ অব্যাহত রেখেছে। এতে করে নদীকুলীয় মানুষগুলো বাড়ি-ঘর হারানোর আশংকায় দিনাতিপাত করছেন।
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুদ আহমেদ জানান, নদী খনন ও তীর সংরক্ষণ করা হলে নদীকুলীয় মানুষগুলো নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাশাপাশি বাড়িঘর, আবাদী জমি ও গাছপালা প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হবে না। আর খনন কাজ শেষ হলে সারাবছর জুড়ে নদীতে পানি থাকবে। কৃষক ওই নদী থেকে পানি উত্তোলন করে ফসল ফলাতে সক্ষম হবে।
এ বিষয়ে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, বগুড়ার অংশে ১৯ কিলোমিটার বাঙালী নদী ভাঙনরোধে তীর সংরক্ষণ ও নদী খননের কাজ বগুড়ার ধুনট উপজেলা থেকে শুরু হয়েছে। নদী খননের কাজ হবে আগে। সেনাবাহিনী নদী খননের কাজ তদারকি করবেন। নদী খনন ও তীর সংরক্ষণে সরকারের ব্যয় হবে ৩২০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই এ কাজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ১৫ কোটি টাকা। নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ ২২টি লটে সম্পন্ন হবে। এজন্য ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা সিসি বøক তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শেয়ারকরুন: